যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যসামগ্রীর দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে চাল, তেল, ডাল, মসলা ও শাকসবজির দাম ১৫% থেকে ৩৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চাপ বেড়েছে এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

18 September 2025 | Pic: Collected
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো কৃষি উৎপাদনে অস্থিরতা, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়া। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়াও একে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসের মতো বড় শহরগুলোতে খাদ্যদ্রব্যের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, নিউইয়র্কে চালের দাম ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং কৃষকদের জন্য ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। তবে, এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচ কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
সাধারণ মানুষ এই মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন। অনেকেই বাজারে গিয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারছেন না। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো খাদ্য সংকটে পড়েছে। তাদের মতে, সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা।
এই পরিস্থিতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই সমস্যা আরও প্রকট। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত একযোগভাবে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করা।
সর্বশেষ, খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধির এই পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করা, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে জীবনযাপন করতে পারে।




