বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস নিউ ইয়র্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সেরজিও গোর-এর সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন যে দেশের মধ্যবর্তী সরকার (Interim Government) ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই সাধু, ন্যায়সংগত, শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “দেশ পুরোপুরি প্রস্তুত আছে” এবং নির্বাচনে যেন কারো ভয় বা বাধা না থাকে, তার জন্য সব ধরনের আইন ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

24 September 2025 | Pic: Collected
এদিনের বৈঠকে তারা ইউএস স্পেশাল এভয়েনি সেরজিও গোর-কে জানিয়ে দেন যে নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সরল ও স্বচ্ছ হবে, ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহকদের স্বাধীনতা রক্ষা হবে। বৈঠক শেষে গোর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের ভূমিকাকে প্রশংসা করেছেন এবং বললেন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহায়তা করবে।
নিয়ন্ত্রকের কাজ, নির্বাচনী কমিশন, রোডম্যাপ প্রণয়ন, ভোট কার্ড-এর সময়মত বিতরণ, ভোট কেন্দ্র প্রস্তুতি, নির্বাচনী নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি—এসবই প্রস্তুতির অন্যতম অংশ বললেন উপদেষ্টা ইউনুস।এছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা অব্যাহত রাখার দাবি উঠেছে এবং দেশি-বিদেশি দৃষ্টির সামনে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ও পার্শ্ববর্তী সম্পর্কের গুরুত্বও আলোচনায় এসেছে।
এই ঘোষণার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলো ও সাধারণ মানুষ কিছু প্রশ্ন এবং আশা প্রকাশ করেছেন— নির্বাচন কি সময়মত হবে? ভোটবাধা কি হবে? ভোটের ফলাফল কি সকল অংশগ্রহণকারীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে? আইনজীবী ও মনিটরিং সংগঠনগুলো বলছেন যে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য অ-সরকারি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সম্প্রচার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষেপে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের প্রস্তুতি সরকার পুরোপুরি শুরু করেছে বলেই প্রধান উপদেষ্টা দাবি করেছেন, এবং তারা দেশবাসীর কাছে একটি শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও ন্যায়মূলক ভোটের আশ্বাস দিচ্ছেন। এই কথা তিনি বলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সরকারের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণের সময় এবং বৈদেশিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ও স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।




