গত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া তার ভাষণে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিনটি মূল অভিযোগ তুলে ধরেছেন। এই অভিযোগগুলো বিশ্বব্যাপী পরিবেশনীতি, অভিবাসন নীতি এবং জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে তার গভীর অসন্তোষ প্রতিফলিত করে।

24 September 2025 | Pic: Collected
১. জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারণা’ হিসেবে অভিহিত
ট্রাম্প তার ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনকে “বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারণা” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন হ্রাস কৌশলগুলো অর্থনৈতিক কার্যকারিতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ অর্থনৈতিক মন্দার দিকে নিয়ে যাবে। তিনি জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সংস্থার জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত পূর্বাভাসগুলোকে “মূর্খ” বলে অভিহিত করেন এবং তাদের দেশগুলোর অর্থনীতির ক্ষতি করার জন্য দায়ী করেন।
২. অভিবাসন নীতিতে জাতিসংঘের ‘গ্লোবালিস্ট’ এজেন্ডার সমালোচনা
ট্রাম্প তার ভাষণে অভিবাসন নীতিতে জাতিসংঘের ‘গ্লোবালিস্ট’ এজেন্ডার সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন যে, জাতিসংঘ অবৈধ অভিবাসনকে সমর্থন করছে এবং এটি পশ্চিমা জাতিগুলোর জন্য একটি অস্তিত্বগত হুমকি। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার তেলের ক্রয় বন্ধ করার আহ্বান জানান, যা তিনি দাবি করেন ইউক্রেন যুদ্ধকে অর্থায়ন করছে।
৩. জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
ট্রাম্প জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেন যে, তিনি সাতটি “অসীম যুদ্ধ” শেষ করেছেন, যা জাতিসংঘ কখনো করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, “জাতিসংঘের উদ্দেশ্য কী?” এবং নিজেকে শান্তির নোবেল পুরস্কারের দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
এই ভাষণটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ট্রাম্পের অবস্থান এবং জাতিসংঘের প্রতি তার সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে। বিশ্ব নেতারা এবং বিশ্লেষকরা এই ভাষণের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছেন, যা আগামী দিনে বৈশ্বিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।



