সাবেক FBI পরিচালক জেমস কোমি কে যুক্তরাষ্ট্রে দুইটি গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ এনে অভিযুক্ত করা হয়েছে — মিথ্যা কথা বলা (false statement) এবং কংগ্রেসিয়াল তদন্তে বাধা দেওয়া (obstruction of justice) — যা ২০২০ সালের তার পররাষ্ট্র পার্লামেন্টে দেওয়া সাক্ষ্য ও তথ্য হস্তক্ষেপের ইস্যু ঘিরে। এই অভিযোগগুলো আইনের সীমায় আনা হয়েছে যখন ২০২৫ সালের সীমাবদ্ধ সময়ের মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে আসছিল।

26 September 2025 | Pic: Collected
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, কোমি মিথ্যাভাবে দাবি করেছিলেন যে তিনি FBI-র কোনো ব্যক্তিকে গোপন সংবাদের উৎস হিসেবে অনুমোদন করেননি, যা প্রেক্ষিতে আদালতে বলা হয়েছে সেই দাবি মিথ্যা ছিল। এছাড়া তিনি কংগ্রেসের একটি অনুসন্ধানকে রুখে দিয়েছিলেন, যা তার দায়িত্বের বাইরে ছিল বলে অভিযোগ।
নাম দেওয়া একটি প্রসিকিউটর Lindsey Halligan মামলা পরিচালনায় নিয়োজিত হয়েছেন, যদিও তিনি এ ধরনের মামলা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা কম। বিচার বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কোনও মানুষ আইন থেকে উপরে নয়” এবং যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, তাদের দায়বদ্ধ করতে হবে।
কোমি একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, “আমি নির্দোষ” ও “আইন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস রাখি” — এবং আদালতের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন। সমালোচকরা এবং স্বার্থপর বিরোধীরা বলছেন, এই অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হতে পারে — যেখানে বিচার বিভাগ একটি খেলাপি হাতিয়ার হয়ে উঠছে।
কোমি ২০১৭ সালে ট্রাম্প দ্বারা বরখাস্ত হন, এবং তার পর থেকেই তারা দুইজনের মধ্যে বিবাদ ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য বিনিময় চলে আসছিল। “Russia investigation” বা রাশিয়ার হস্তক্ষেপ তদন্তের সময় কোমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নকে জোরালোভাবে সামনে আনেছে। অপনাসারোপ রয়েছে যে এটি ক্ষমতাবলে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর চাপ প্রয়োগের একটি অংশ হতে পারে। এই ঘটনা বিচার বিভাগের উপর জনগণের বিশ্বাসকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে যদি স্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া এই ধরনের মামলা পরিচালিত হয়।
আউটলুক হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কোমিকে আদালতে উপস্থিত হতে হবে অক্টোবর ৯ তারিখে, এবং মামলার প্রমাণ-বিশ্লেষণ ও প্রতিরক্ষা কৌশল হবে মুল চ্যালেঞ্জ। প্রতি অভিযোগে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, তবে সাধারণভাবে ফৌজদারি মামলায় শাস্তি কমই দেওয়া হয়।




