ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় বন্দি বিনিময় ও কিছু সেনাবাহিনী নির্ধারিত সীমানায় পদক্ষেপ প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। এই চুক্তি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি জানিয়েছেন, “সব বন্দি খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে এবং ইসরায়েল তাদের সেনা নির্দিষ্ট সীমানায় সরে আসবে” — এটি একটি “দৃঢ়, টেকসই ও চিরস্থায়ী শান্তির” দিকে প্রথম ধাপ হবে।
9 Oct 2025 | Pic: Collected
চুক্তিতে বলা হয়েছে, হামাস ২০ জন জীবিত বন্দি মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল প্রশস্ত সংখ্যক প্যালেস্টাইনি বন্দি ছেড়ে দেবে। এছাড়া ইসরায়েল কিছু সেনাবাহিনীকে নির্ধারিত সীমানায় প্রত্যাহার করবে এবং গাজা সীমান্তে ত্রাণ প্রবাহ বৃদ্ধি করবে।
চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত থাকতে পারে যে, এটি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম বন্দি মুক্তি শুরু হবে। হামাস ইতিমধ্যে বলেছে তারা চুক্তি মেনে চলবে এবং শান্তি চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে — তবে তারা জানিয়ে দিয়েছে যে তারা তাদের “কাজে অক্ষুণ্ণ থাকবে” এবং যুদ্ধবিরতি মানেই তাদের লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়া নয়।
এই চুক্তি একটি বড় дипломатিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। নেটানিয়াহু এটিকে “নৈতিক ও কূটনৈতিক জয়” বলেছেন।বিশ্বনেতারা এ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত মানবিক সহায়তা গাজায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে রেখেছেন।
তবে কিছু জটিল বিষয় এখনো মসৃণভাবে সমাধান করা হয়নি — যেমন হামাসের অস্ত্র পরিত্যাগ, গাজার ভবিষ্যত শাসন কাঠামো, এবং চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা প্রশ্ন।
যদিও অনেকেই এই চুক্তিকে আশার দৃষ্টিতে দেখছেন, কয়েকবার পূর্বে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে পড়েছে বলে সংশয় আছে। চ্যালেঞ্জ থাকবে প্রণালী ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং দুই পক্ষকে চুক্তি মেনে চলার জন্য দায়বদ্ধ রাখা।



