ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির পর এই পুরস্কারটি অংশকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছেন, কারণ তিনি বললেন তিনি ‘নির্ধারকভাবে’ তাদের গণতন্ত্র আন্দোলনকে সহায়তা করেছেন। নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কৃত করেছে “ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রচেষ্টায় অবিচল কাজ করার ও স্বৈরতন্ত্র থেকে শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে” অবদানের জন্য।মাচাদো নিজে এক ফোন কলের মাধ্যমে জানান, “আমি পুরস্কার গ্রহণ করছি, তবে বুঝুন এটি একাধিক মানুষের সংগ্রামের প্রতিফলন” — এবং যুক্তরাষ্ট্রের “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আমাদের কারণের প্রতি তাঁর দৃঢ় সমর্থনের জন্য” এই পুরস্কার উৎসর্গ করেন।

11 Oct 2025 | Pic: Collected
মাচাদো বর্তমানে গোপন রয়েছেন, কারণ ভেনেজুয়েলার মাদুরো শাসকদলের চলমান দমননীতির কারণে তিনি প্রকাশ্যে থাকতে পারছেন না। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, মাচাদোকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে “সামরিক, স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহসী এক উদাহরণ” হিসেবে।
এই ঘটনায় মার্কিন হোয়াইট হাউসও প্রতিক্রিয়া দিয়েছে — তারা নোবেল কমিটিকে ‘রাজনীতি প্রাধান্য দেওয়া’ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছে। ট্রাম্প বলেন, “যে ব্যক্তি পুরস্কার পেয়েছে, তিনি আজ আমাকে কল করেছিলেন এবং বলেছিলেন, ‘আমি এটি আপনার সম্মানে গ্রহণ করছি, কারণ আপনি প্রকৃতই এটি প্রাপ্য ছিলেন’।”
এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রূপ নেওয়া গণতন্ত্র আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আবার কেউ বলছেন, পুরস্কার উৎসর্গে রাজনৈতিক সংকেত রয়েছে। ভবিষ্যতে এই দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কী রূপ নেবে, তা সময়ই নির্ধারণ করবে।




