দুটি বছরের সংগ্রাম শেষে, হামাস শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে তারা গাজায় বন্দি থাকা সকল ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। এই মুক্তি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে। হামাস তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানায়, মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা “সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায়” ইসরায়েলে ফিরেছে, এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা ও মানবিক সহযোগিতার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

13 Oct 2025 | Pic: Collected
মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে থাকতে পারে বার আব্রাহাম কুপারশটেইন, এভিটার ডেভিড, ইউসুফ-হাইম ওহানা ইত্যাদি নাম অন্তর্ভুক্ত — হামাস ইতিমধ্যে মুক্তি পাবার তালিকাটি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় দাবি রয়েছে যে, প্রায় ১,৯০০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে। এই চুক্তির আওতায় এগুলো ধাপ প্রথম ধাপ হিসেবে চলছে।
মিডল-ইস্ট যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া এখন দ্রুত এগোচ্ছে। মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা তাদের পরিবারদের সঙ্গে পুনর্মিলনের অপেক্ষায়। ইসরায়েলে “হোস্টেজ স্কয়ার” জলে ভরে ওঠে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ সমবেদনা ও উল্লাস প্রকাশ করে। সামাজিক মাধ্যমে মুক্তিপ্রাপ্তদের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে আবেগপ্রবণ দৃশ্য সংযুক্ত।
এই মুক্তি যুদ্ধবিরতির দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্ববহনকারী সূচনা গণ্য হচ্ছে। যদিও প্রধান চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে — মৃত বন্দিদের দেহ উদ্ধার, হামাসের অস্ত্র পরিত্যাগ, এবং গাজার ভবিষ্যত শাসন কাঠামো নির্ধারণ। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় গঠিত চুক্তিটি বিশ্লেষকরা এক বৃহৎ শান্তিচুক্তি যাত্রার প্রথম ধাপ বলছেন।
বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক নেতারা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। যদিও অনেকেই সতর্ক যে এই চুক্তি শুধুমাত্র একটি আরম্ভিক ধাপ — শান্তি, দুটি দেশ নির্বস্ত্রীকরণ ও বিশ্বাস পুনর্মিলন সবই সত্যিকারভাবে পরীক্ষিত হবে সামনের দিনগুলোতে।




