সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ অনুযায়ী, বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে রাত ১১:৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন খালেদা জিয়া। পৌঁছে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুতই ভর্তি করা হয়।

16 Oct 2025 | Pic: Collected
সেই সঙ্গে জানা গেছে, গত ২৮ আগস্টেও একইভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি; সেসময় রাতেই বাসায় ফিরেছেন। দেশে ফেরার পর গুলশানের বাসভবন “ফিরোজা”য় নিজ বাসাতেই বিশ্রামে ছিলেন, চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।
খালেদা জিয়ার বয়স প্রায় ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ নানা শারীরিক সমস্যা নিয়ে সংগ্রাম করছেন।
চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডন যান খালেদা জিয়া। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে ১৭ দিন চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ২৫ জানুয়ারি দেশে ফেরেন ও ছেলে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করেন। ৬ মে বাংলাদেশে ফিরেছেন।
এখন বাংলা সংবাদমাধ্যমগুলো এবং রাজনৈতিক মহল জোর ধোঁয়াশায় — খালেদা জিয়ার সম্পূর্ণ শারীরিক অবস্থা, হাসপাতালে কতদিন থাকবেন, কোন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে— এসব বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বা চিকিৎসকরা এখনও বিস্তারিত তথ্য দেয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণত রোগীর গোপনীয়তার কারণে এক্ষেত্রে বিস্তারিত মন্তব্য করেন না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক ও জনমতের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খবর দেশজুড়ে দ্রুত শিরোনামে চলে আসবে। অনেকেই ভবিষ্যতে এই ঘটনা দলের কার্যকারিতা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন।
এই অবস্থায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমাজ নানা মাধ্যমে দোয়া ও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। খোদ তারেক রহমানও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মায়ের সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।
এই সংবাদ বর্তমান সময় পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আরও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ পায়— যেমন মেডিকেল বোর্ডের বিবৃতি বা হাসপাতাল থেকে অফিসিয়াল ঘোষণা— আমি তাতে ভিত্তি করে সংবাদ হালনাগাদ (update) করতে পারি।
সাবধানতা হিসেবে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, এখনও সব তথ্য রোগীর গোপনীয়তা ও সংশ্লিষ্টদের অনুমতি অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে।




