যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোডিমির জেলেনস্কি–র মধ্যে বিদ্বেষ ও ঘৃণা যুদ্ধবিরতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের মতে, দুই নেতার পারস্পরিক শত্রুতা ও আভ্যন্তরীণ মনস্তাত্ত্বিক বা ব্যক্তিগত দিকনির্দেশনায় যা রয়েছে, তা আলোচনাকে আটকে দিচ্ছে। এই ধারণা সম্প্রতি তিনি সংবাদদাতাদের সামনে ব্যক্ত করেছেন।

16 Oct 2025 | Pic: Collected
ট্রাম্প জানান, “দুই নেতার ঘৃণা — এটি একটি অবরোধ”। তিনি উল্লেখ করেছেন, “দেখুন, আমি দুই মাস আগে একটা চুক্তি করতে পারি বলে ভাবেছিলাম। কে ভাবত, আমি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনতে পারি, কিন্তু এই দুই ব্যক্তিকে শান্তিতে আনতে পারব না?” তিনি আরও বলেন, “তারা একে অপরকে এত ঘৃণা করে যে প্রায়ই কথা বলতেও পারছে না।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল— কেন শান্তি আলোচনায় তৎপর অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তিনি যুক্ত করেছেন, যদিও তিনি বহুবার চেষ্টা করেছেন আলোচনার পথ খোলার, তথাপি শত্রুতার গভীরতা এই প্রচেষ্টাগুলিকে সীমিত করে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প ও জেলেনস্কি–র মধ্যে একটি আলোচনা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে যুদ্ধ ও নিরাপত্তা বিষয়ে সমন্বয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এই আলোচনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরাও বলতে শুরু করেছেন— শান্তি প্রক্রিয়া সফল করতে হলে শুধু কূটনীতি বা অস্ত্র বন্ধ নয়, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মনস্তাত্ত্বিক ও সম্পর্কগত বাধাকে সমাধান করতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে বাস্তব সমঝোতা আসতে পারে যদি পুতিন ও জেলেনস্কি–র মধ্যকার “দ্বন্দ্ব ও অবিশ্বাস” কাটিয়ে ওঠা যায়। অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্পের মতো মধ্যস্থকার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে তা সফল হওয়ার জন্য দুই পক্ষের রাজনৈতিক প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক বিশ্বাস তৈরি থাকা প্রয়োজন।
এই প্রবন্ধের সব তথ্য বিশ্বস্ত সংবাদসূত্র— যেমন “দ্য কিয়েভ ইনডিপেনডেন্ট” ও “NDTV” থেকে সংগৃহীত হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি কোন অফিসিয়াল বিবৃতি বা আলোচনায় অগ্রগতি ঘটে, তবে তা তুলে ধরে আমি নিবন্ধ হালনাগাদ করতে পারব।




