
21 Oct 2025 | Pic: Collected
সৌদি আরব বর্তমানে Mohammed bin Salman ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এমন একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি করার দিকে এগোচ্ছে, যা মডেল হিসেবে নেওয়া হয়েছে সম্প্রতি Qatar–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে—এই চুক্তির অধীনে যে কোনো সশস্ত্র হামলাকে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হিসেবেই বিবেচনায় নেবে। সৌদি আরব আশা করছে যে শীঘ্রই হোয়াইট হাউসে সম্মেলন এবং সাক্ষর অনুষ্ঠানে মিলবে চূড়ান্ত ঘোষণা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর প্রশাসন এই চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা চালাচ্ছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, রিয়াদ তাদের সার্বভৌম নিরাপত্তার স্বার্থে এমন উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা গ্যারান্টি চাইছে যা দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই আলোচনার প্রেক্ষাপট হলো মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ যেমন ইরানের উদ্ভূত হুমকি ও দখল-বিতণ্ডা, সেই সঙ্গে সরকারের বিশ্লেষকদের মতে আমেরিকার প্রতি সাংঘাতিক আস্থা কমে আসা—এগুলো সৌদি আরবকে নতুন কৌশলে নিরাপত্তা অংশীদার খুঁজতে উদ্বুদ্ধ করেছে। তবে দলিলটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি—যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি উভয় পক্ষই বিস্তারিত শর্তাবলী প্রকাশ করেনি।
এছাড়া বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবের এই উদ্যোগ কেবল যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি সম্পর্ক নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো বদলে দিতে পারে—কারণ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের F-35 যুদ্ধবিমানের সাপ্লায়, গোয়েন্দা-তথ্য ভাগাভাগি, সাইবার এবং ড্রোন যুদ্ধপ্রযুক্তি। একদিকে সৌদি আরব এই চুক্তির জন্য পাটেনশিয়াল সুযোগ দেখছে, অন্যদিকে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাধা, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের বিষয় এবং সাবেক চুক্তিগুলোর রেকর্ড—সবই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।




