যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump শুক্রবার ঘোষণা করেছেন, তারা এখনই Canada-র সঙ্গে চলমান সব বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করে দেবে। তার এই সিদ্ধান্ত-ঘোষণার মূল কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে কানাডার এক ডিজিটাল সার্ভিসেস কর (digital services tax)-এর দিকে; বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর লাগু এই করকে ট্রাম্প “আমাদের দেশের ওপর সোজাসুজি ও স্পষ্ট আক্রমণ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি his সামাজিক মাধ্যম পোস্টে লিখেছেন — “Based on this egregious Tax, we are hereby terminating ALL discussions on Trade with Canada, effective immediately.” এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরে বেশ শান্তিভিতা বাণিজ্য আলোচনা ও সম্পর্কের পর নতুন উত্তেজনার মুখে ফেলেছে।

24 Oct 2025 | Pic: Collected
কানাডার প্রধানমন্ত্রী Mark Carney বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই জটিল আলোচনা চালিয়ে যাব জাতীয় কর্মীদের ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে।” কিন্তু ট্রাম্প বলছেন, কানাডার করনীতি ও বাণিজ্যনৈতিক নীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি “রিয়াসমেন্ট” ছাড়া চলছে যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে নয়। বিশেষ করে বলা হয়েছে যে, কানাডার ডিজিটাল সার্ভিস করটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিকে টার্গেট করেছে, যার বিরুদ্ধে ট্রাম্প কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ শুধুই কর বিতর্ক নয় — এটি উত্তর আমেরিকার বাণিজ্য কাঠামোর এক বড় ধরণের সংকেত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র যেমন তার কর ও বাণিজ্যনীতি শক্তভাবে প্রয়োগ করতে চায়, তেমনি মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে তার সম্পর্কও পুনর্বিন্যাসের পথে রয়েছে। বিশেষভাবে, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার; ফলে এই ধরণের আলোচনা বাতিলের জেরে সরবরাহ শৃঙ্খলাগত ব্যাঘাত, শিল্প ও কৃষি খাতের ওপর প্রভাব পড়ার ভয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক হয়ে পড়েছেন।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এই ঘটনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কারণ বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতিগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং মূল মিত্র দেশগুলোর নীতি পরিবর্তনের কারণে বিকল্প বাজার ও সরবরাহ উৎস খোঁজার চাহিদা বাড়ছে। এখন প্রশ্ন উঠছে — কানাডা-মার্কিন বাণিজ্য সরে গেলে দক্ষিণ এশিয়া কার থেকে নতুন অংশীদার হতে পারে, বা বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে কি নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে? এসব বিষয় এখন আলোচনায় প্রবেশ করেছে।
সারাংশভাবে বলা যায়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সম্পর্ককে একটি নতুন মোড়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তিনীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের এক নিদর্শন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভাব যা ছাড়ছেঃ বিদ্বেষ নয়, রণনীতি; সংযুক্ত কিনা, বা নতুন পথ খোলা হবে — তা সময় বলবে।




