4 Nov 2025 | Pic: Collected
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, যখনই ইসরায়েল‑কে যুক্তরাষ্ট্রীয় জোটের সহায়তা বন্ধ করবে, তখনই তারা যুক্তরাষ্ট্র‑র সঙ্গে সহযোগিতা ও সম্পর্ক গড়ার প্রস্তাব বিবেচনায় আনবেন। খবর অনুযায়ী, তিনি সোমবার (৩ নভেম্বর) ওই দাবি করেন এবং বলেন, “আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা সম্ভব নয় যতক্ষণ তারা সেই অভিশপ্ত জায়নিস্ট রাষ্ট্রকে সমর্থন করে, তাদের অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি রাখে এবং মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ চালায়।”
খামেনির এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময় যখন যুক্তরাষ্ট্রের রণনীতিক ফোকাস ইরানের ওপর তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো ও ইরানের মধ্যকার পারমাণবিক সংক্রান্ত আলোচনা জটিল অবস্থায় রয়েছে। উপরাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য বিজ্ঞানী বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই শর্ত মূলত ইসরায়েল‑মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সম্পর্কে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন লাইন পরশান্তিকালীন স্থিতিশীলতা ও যুগোপযোগী কূটনীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান‑যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সহযোগিতার পথে মার্কিন নীতি ও জোটভিত্তিক অবস্থানের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন হবে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসন এই মন্তব্যের মাত্রাকে গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে এবং বলেছে যে তারা ফরমুলা অনুযায়ী ইরানের সঙ্গে আলোচনা করার আগ্রহ দেখিয়ে এসেছে। কিন্তু ইরানের শর্তগুলো কার্যকর করার ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে এবং এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে কোনো দ্রুত পরিবর্তন আশা করা কঠিন বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, ইরান‑ইসরায়েল সংঘর্ষ ও যুক্তরাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ বাড়ছে, তাই এই ধরনের শর্ত ও বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে।



