6 Nov 2025 | Pic: Collected
বাংলাদেশে আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গে মোঃ আসাদুজ্জামান (অ্যাটর্নি জেনারেল) বলেছেন যে নির্বাচনের আয়োজন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হবে, যাতে নির্বাচন-পরিচালনায় রাজনৈতিক স্বার্থ ও পক্ষপাত পরিহার করা সম্ভব হয়। এ প্রসঙ্গে হয়তো বর্তমানে কার্যরত অস্থায়ী সরকার তথা অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের সূচনায় ভূমিকা রাখবে, এমন ইঙ্গিতও রয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল একটি তারকার্ষক বক্তব্যে বলেন, “আমরা শুধুই তাত্ক্ষণিক নির্বাচন নয়, একটি বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই, যা সকলের অংশগ্রহণে হবে।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে সেটি এমন প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে আয়োজন করা হবে যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব থাকবে সময়োপযোগী প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষ নির্দেশনায়।” এই মন্তব্যের আগে দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগে বেশ কিছু বিতর্ক উষ্ন হয়ে উঠেছে — বিশেষ করে ঘরোয়া হঠাৎ পরিবর্তন ও নির্বাচন-প্রসঙ্গ নিয়ে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরো উল্লেখ করেছেন যে, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে আলোচনায় এমন একটি রূপরেখা তৈরির কথা চলছে যাতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, নিরাপদ ভোটপরিৱেশ ও রাজনৈতিক পক্ষপাত থেকে মুক্ত নির্বাচন সুনিশ্চিত করা যায়। এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময় এসেছে যখন রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন-তারিখ, নির্বাচন-প্রস্তুতি ও নির্বাচন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করছে।
আইন-বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি নির্বাচন প্রকল্প অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হয় তাহলে মূল চ্যালেঞ্জ হবে— কীভাবে রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশগ্রহণে উৎসাহ দেওয়া যাবে, এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রণ-প্রশাসন বজায় রাখা যাবে। সামাজিক গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণগুলো ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করছে যে আজকের এই ঘোষণা এক নতুন নির্বাচন-পরিকল্পনার সূচনা হতে পারে, যেখানে মাত্র নির্বাচন করলেই শেষ নয়, বরং নির্বাচনের আগেই কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত হবে। যদিও নির্বাচন-তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে এই মন্তব্য-এর পরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।



