যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর Chicago–র মেয়র Brandon Johnson শুক্রবার United Nations Human Rights Council‑কে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা দেশীয় অভিবাসন সংক্রান্ত অভিযানে হস্তক্ষেপ করে। তিনি দাবি করেছেন, U.S. Immigration and Customs Enforcement (আইস)‑এর চলমান অভিযানে নাগরিকদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র আজ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মানদণ্ডে নিজেকে প্রশ্নের মুখে পাচ্ছে।

11 Nov 2025 | Pic: Collected
মেয়র জনসন বলেন, “যে দেশ মানবাধিকারের প্রশ্নে অন্যদের বিচার করে, সেই একই দেশ যেন তার নিজস্ব নীতির জন্য স্থবির না হয়।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, শিকাগোর দক্ষিণশোর ও ব্রডভিউ এলাকার রেইডগুলো—যেখানে বেসামরিক নাগরিক, শিশুসহ পরিবার আক্রান্ত হয়েছেন—এই অভিযানের অংশ।
তিনি অনুরোধ করেছেন, জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের শিকাগো আসার অনুরোধ জানিয়ে এই অভিযানের বাস্তব চিত্র দেখার জন্য। সঙলগ্নভাবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, একটি ডে‑কেয়ার সেন্টারে একজন কর্মীকে আটক করা হয় এবং ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনসহ আইস‑রেইড বাড়ছে, যা সাধারণ নাগরিক ও অভিবাসীদের জীবনে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
খোদ-মেয়রের বক্তব্য প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ মন্তব্য করেছে যে, অভিবাসন রক্ষা তাদের দায়িত্ব এবং তারা আইন অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন‑ স্থানীয় ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে ফেডারেল অভিযানের বিরোধ ইতিমধ্যেই উন্নয়নপ্রশ্ন ও শাসনসংক্রান্ত কঠিন দ্বন্দ্ব রূপ নিয়েছে।
এই আহ্বান শুধু শিকাগোর সীমাবদ্ধ নয়—সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, Operation Midway Blitz নামে পরিচিত আইস‑র রেইড অভিযানে ইতিমধ্যেই ৩ হাজারেরও বেশি আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইলিনয় ও উত্তর ইন্ডিয়ানা এলাকায়।
মেয়র জনসন‑এর এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে—একদিকে আছে মানুষের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার‑হিতের দাবি, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইন ও অভিবাসন নীতির সীমারেখা নিয়ে প্রশ্ন। তিনি বলছেন, “আমরা বলছি‑ কথা বলছি না স্রেফ, আমরা নিশ্চয়তা চাই।”
এই ঘটনা আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে‑ কারণ এটি দেখায় কিভাবে অভ্যন্তরীণ আইন নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর সঙ্গে মেনে চলা জরুরি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।




