২০২৫ এর ১০ নভেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় ভারতের রাজধানী দিল্লির সবচেয়ে ব্যস্ত এলাকা––লাল কেল্লা–এর কাছে একটি ভয়াবহ গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জন নিহত ও ২০-এরও বেশি আহত হয়েছেন। নির্বাচন আগে রাজধানীর এই ঐতিহাসিক ও জনবহুল এলাকায় এই ধ্বংসাত্মক ঘটনা দেশকে একবারে সতর্ক অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

12 Nov 2025 | Pic: Collected
ঘটনাস্থল হলো লাল কেল্লার মেট্রোস্টেশন-সংলগ্ন সিগন্যাল এলাকায়। পুলিশের তথ্য মতে, একটি ধীরে চলা হুন্ডাই i20 গাড়ি লাল সিগনালে থামে, তার পর বিস্ফোরণ ঘটে; পাশাপাশি পাশের তিনটি অটো-রিকশা ও অন্যান্য যানবাহন আগুনে লিপ্ত হয়।
ঘটনার পর তৎপর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত অভিযান চালায়। ভারতীয় गृहমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “এই হামলার সঙ্গে যারা যুক্ত—তাদের বিরুদ্ধে একশো ভাগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয় চিকিৎসক ও অপরাধ-তদন্তকারী সূত্র জানাচ্ছেন, মৃতদের পোস্টমর্টেমে দেখা গেছে উচ্চবিস্ফোরক ধ্বংসের চিহ্ন—শব্দ প্রবল, ধ্বংস-ভাঙনের পরিমাণ অনেক বেশি।
ভারতীয় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা National Investigation Agency (এনআইএ) ঘটনাটিকে বেছে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রথম পর্যায়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে Unlawful Activities (Prevention) Act (UAPA) ও Explosives Act-এর অধীনে।
এই বিস্ফোরণ দেশটির মোট সামরিক-সন্ত্রাসী নিরাপত্তা সীমারেখাকেও যুক্ত করেছে। দিল্লির পাশাপাশি মুম্বাই, উত্তর-প্রদেশ ও হরিয়ানায় সুরক্ষা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধুই একটি দুর্ঘটনা নয়; এটি রাজনৈতিক চিহ্ন বহন করছে—কারণ লাল কেল্লা শুধু ঐতিহাসিক নিদর্শন নয়, ভারতের জাতীয় স্বাধীনতা দিবসের প্রেসিডেন্ট ভাষণের স্থানও। তাই এখানে হামলা হলে তা একটি গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকেত হয়ে দাঁড়ায়।
এই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলা হচ্ছে, ঘটনা শুধু মৃত ও আহতের সংখ্যা নয়; এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতির দুর্বলতা, গোয়েন্দা তথ্যের হোলকাতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা অনুভূতির সঙ্গে জড়িত।




