সেনা মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু আইনগত বাধার কারণে তাকে বাধ্য হয়ে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হয়েছে। আদালতের এক রায়ে বিচারক ক্যারিন ইমারগুট বলেছেন, পোর্টল্যান্ডে গার্ড মোতায়েনের ট্রাম্পের আদেশ “অবৈধ” ছিল, কারণ সরকারি প্রমাণ অনুযায়ী বিক্ষোভের মাত্রা অতিরিক্ত মাপের নয় ছিল যা সামরিক হস্তক্ষেপের ভিত্তি গড়তে পারে।

16 Nov 2025 | Pic: Collected
এর পাশাপাশি, শিকাগো (ইলিনয়েস) এবং রাজ্য সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। তারা যুক্তি দিয়েছে যে, জাতীয় গার্ড মোতায়েন করা হলে তা রাজ্য সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করবে এবং এটি সংবিধান ও “Posse Comitatus Act” এর বিরুদ্ধে যায়।
বিচারক এপ্রিল পেরি মামলায় বলেছেন যে, ফেডারেল বাহিনী প্রদেশে পাঠানো বিপজ্জনক এবং “কোনো জরুরি কিছু দেখছেনা” যা যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রীয় বন্ধনকে ক্ষুন্ন করতে পারে। হোয়াইট হাউস স্পোকপারসন অ্যাবিগেইল জ্যাকসন দাবি করেছেন, “ট্রাম্প তার আইনগত অধিকার ব্যবহার করেছেন, এবং তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবে।”
এই মামলা এবং সেনা মোতায়েনকে ঘিরে প্রতিক্রিয়া দুইধরণের। এক পক্ষ বলেছে, এটি ট্রাম্পের নির্বাহী অধিকারের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং যুক্তরাষ্ট্রে সামরিকীকরণ বাড়ানোর একটি পথ। অন্য পক্ষের মতে, সেনা মোতায়েন আইনশৃঙ্খলা এবং যে ‘বিধি ভঙ্গকারী’ আচরণ আছে, তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জরুরি ছিল।
কিন্তু মামলাগুলো দেখাচ্ছে যে আইন ও সংবিধান এখনও এমন সীমা রেখেছে যা প্রতিটি রাষ্ট্রনায়কের সর্বোচ্চ ক্ষমতাও অতিক্রম করতে পারে না। ট্রাম্প প্রশাসন যদি আপিল করতে চায়, তাহলে এটি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে এবং সিদ্ধান্তই হতে পারে ভবিষ্যতে এমন মোতায়েন নীতির নীতিগত পরীক্ষার এক নতুন অধ্যায়।




