বলিউড তারকা সালমান খান-এর বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট-হোমে গুলির ঘটনায় নতুন মোড় দেখা দিয়েছে — অভিযোগ রয়েছে, সেই হামলায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য আনমোল বিষ্ণোই জড়িত ছিলেন। ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA) মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) বিমানবন্দরে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে আনমোলকে গ্রেফতার করেছে।

20 Nov 2025 | Pic: Collected
আনমোলকে দিল্লি একটি আদালত ১১ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে, যা তার বিরুদ্ধে গুলির ঘটনার সম্ভাব্য দখল ও প্ল্যানের দৃষ্টিকোণ থেকে তদন্ত চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রেক্ষাপট হিসেবে, চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার হন আনমোল। তার বিরুদ্ধে ভারতে ৩১টি মামলা রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা-র হত্যাকাণ্ড, এছাড়া মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডেও তার নাম জড়িয়ে রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য হলো, এপ্রিল ২০২৪-তে সালমানের বাড়ির সামনে গুলির ঘটনা তখন সাড়া ফেলেছিল।পরে, বিষ্ণোই গ্যাং এ ঘটনার দায় স্বীকার করে এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। সালমান নিজে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন গুলি চালানো একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা ছিল এবং তিনি লরেন্স বিষ্ণোই ও তার গ্যাংকে দৃঢ়ভাবে অভিযুক্ত করেছেন।
এই গ্রেফতারের পটভূমিতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সালমান-বিষ্ণোই বিরোধ কেবল এক ঝাঁক ভক্তদের হামলায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর গ্যাঙ্গ সেনস ও অপরাধমূলক জটিলতার অংশ। গ্যাংস্টারিজম এবং বলিউড তারকার নিরাপত্তা প্রশ্ন আবারো সামনে এসেছে।
দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প হিসেবে, নিয়মিতভাবে সালমান ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এই ধরনের গুলি চালানোর ঘটনা ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি হতে পারে, যদি অপরাধমূলক গ্যাংগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থাপনা না করা হয়।
সার্বিকভাবে, আনমোল বিষ্ণোই গ্রেফতার আইনশৃঙ্খলা, বলিউড নিরাপত্তা ও গ্যাঙ্গ সংক্রান্ত দৃষ্টিকোণ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য ও বিতর্কিত ঘটনা, যা শুধুমাত্র সালমান খানকে সুরক্ষায় রাখার প্রশ্নই নয় — এটি ভারতের অপরাধ ব্যবস্থাপনা, গ্যাং রাজনীতি ও উচ্চপ্রোফাইল ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছে।




