হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির মধ্যে বৈঠকের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষায় একটি উল্লেখযোগ্য পাল্টন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এক সময় মামদানিকে “কমিউনিস্ট” আখ্যা দেয়ার পর, এখন ট্রাম্প বলছেন যে তাদের অনেক দিক মিলেছে, এবং তিনি তাকে “ভালো কাজ করতে সাহায্য করতে চান।”

22 Nov 2025 | Pic: Collected
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন:
“আমি খুবই নিশ্চিত যে সে (মামদানি) খুব ভালো কাজ করতে পারবে … এবং আমি চাচ্ছি যে নিউইয়র্ক ভালো হোক। আমরা এক-ই উদ্দেশ্য ভাগ করি।”
এছাড়া তিনি একত্রে বলেছিলেন, “আমরা অনেক বেশি একমত যে আমি আগে ভাবিনি।” ([turn0search9]; [turn0search7])
এক অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিকোণ থেকে, ট্রাম্প যুক্তি দিলেন যে, বাবদ-সংলাপ তাদের পার্থক্যকে মুছে দিতে পারে। গার্ডিয়ান রিপোর্ট অনুযায়ী, এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি আমার ভীতিগুলো ভুলে যেতে চাইছি … আমরা একসাথে কাজ করবো এবং আমি দেখতে চাই, তুমি মধ্যে পরিবর্তন করবে।”
এক মোর হিসেবে, ট্রাম্প আরও স্বীকার করেছেন যে, তিনি New York-এর ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী:
“হ্যাঁ, আমি সেখানে থাকতে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব, বিশেষত বৈঠকের পর।”
তিনি বলেছিলেন, “আমি চাচ্ছি, আমরা একসাথে একটা চমৎকার শহর গড়ি।” ([turn0search8]; [turn0search9])
এই পাল্টনের পেছনে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এক নতুন কৌশল দেখছেন: আবেদনমূলক ও বাস্তব-ভিত্তিক সহযোগিতা। ইতেফাক সংবাদমাধ্যমও তুলে ধরেছে যে, অতীতের কঠোর সমালোচনার পর এখন দুইজন “সহযোগিতার আশ্বাস” দিচ্ছেন।
তবে কিছু সমালোচক বলছেন, এটি অন্য একটি রাজনৈতিক খেল — হয়তো ট্রাম্প একান্ত সংসোধন নয়, বরং রাজনৈতিক চাপে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার পরিকল্পনা। তাদের মতে, “কাজের প্রতিশ্রুতি” শুধুমাত্র প্রাথমিক ধাপ, এবং বাস্তবায়ন ভিন্ন হতে পারে।
সার্বিকভাবে, ট্রাম্প এবং মামদানির মধ্যকার এই বৈঠক এবং ট্রাম্পের পরবর্তী বক্তব্য একটি মাইলফলক: রাজনৈতিক শত্রুতা থেকে রাজনৈতিক অংশীদারিত্বে যাত্রা। যদি তাদের প্রতিশ্রুতি সত্যিই ফলআদায়ক হয়, তাহলে নিউইয়র্কে সাধারণ বাসিন্দাদের জন্য নতুন সুযোগ ও সমাধান উন্মোচিত হতে পারে।




