শনিবার (২৩ নভেম্বর ২০২৫) রাত গভীরে, নিউইয়র্কের কুইন্স জেলার Malba, Queens এলাকায় এক ‘অবৈধ গাড়ি-মহড়া’ বা “স্ট্রিট টেকওভার” হয় — গড়ে ওঠে গালাগালি, গাড়ি ঘোরানো, রাস্তা দখল, গাড়ি দগ্ধ, আর শেষে স্থানীয় এক দম্পতিকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে মারধর। রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্য রাতে প্রায় ১০০ টির মতো গাড়ি একেবারে যেনো একসঙ্গে Mohla-র সেই আবাসিক সড়ক দখল করে — গাড়ি দিয়ে “ডোনাট” (চাকা ঘোরানো, দাগ রেখে ঘূর্ণায়মান গতি) দিচ্ছিল, ধূমপায়নের শব্দ, গাড়ির হর্ন, আর আতঙ্কের মতো চিৎকার।

28 Nov 2025 | Pic: Collected
একই সময়ে, যারা কয়েকজন বাসিন্দা থেমে জানতে চায় — “কোথায় যাচ্ছ কি?” — তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। বিশেষ করে, শক্তি নিয়ে এসে দম্পতি এক বাসিন্দা গাড়ি পাড়ি বন্ধার চেষ্টা করলে, হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একদা গাড়ি আগুনে জ্বলে ওঠে; প্রাইভেট সিকিউরিটি অফিসারের গাড়ি ছিল সেটি। বাসিন্দা বলে, হামলাকারীরা Molotov-ধরনের ইঞ্জিনিয়ার করা আগুন লাগাতে পারে করেছিলেন। গাড়ি দগ্ধ, গাড়ি ভেঙে, রাস্তায় আসল উত্তেজনা — কম neighbourhood, তরুণ-তরুণীদের নিয়ে নিশ্ছিদ্র মহড়া, যা রাতের নির্জন এলাকায় সাধারণ মানুষের ঘুম ভেঙে দিল।
এই ঘটনায় কমপক্ষে এক দম্পতি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে; একজনের নাক ভেঙে গেছে, রিব (পাঁজর) ভেঙেছে, অন্যজনও মারধর হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গাড়ি, স্টিক বা লাঠি — যেকোনো হাতিয়ার ব্যবহৃত হয়েছে। রাত ১২:৩০–১ টার মধ্যে ঘটনা শুরু হলে, প্রথমে পুলিশের চেক ইন ৯১১ কোল ছিল “drag-racing” হিসেবে; কিন্তু ২৩ মিনিট পরে অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন বিশৃঙ্খলা আর আগুন লাগানো গাড়ি দগ্ধ — অনেক কেটে গেছে।
স্থানীয় কাউন্সিলর Vickie Paladino এবং প্রশাসনিকরা এ ঘটনা নিন্দা করেছেন — এটিকে “পরিকল্পিত হামলা” হিসাবে অভিহিত করেছেন। Paladino বলেছেন, “এরা শুধু গাড়ি ঘোরাতে এল না — ভয় ও ধ্বংস ছড়িয়ে দিতে এসেছে।” তিনি দাবি করেছেন, এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা দিতে দ্রুত ধাপ নিতে হবে, এবং গাড়ি-মহড়া, সাইডশো বা স্ট্রিট টেকওভার বন্ধ করতে হবে।
এ ঘটনার পর, স্থানীয়রা অনেকেই বলছেন — যদি আইনশৃঙ্খলার এমন ব্যগ্র অবস্থা থেকে রেহাই না পাওয়া যায়, তাহলে গাড়ি-মহড়া বা street takeover গুলোর সঙ্গে গৃহবিনষ্টি, হামলা, আগুন — এসব রূপ নিতে পারে; এবং নিরাপদ আবাসিক এলাকায় সাধারণ মানুষ আর না থাকতে পারলে কোন বিকল্প থাকবে? প্রশাসন যেমন দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে, তেমনই প্রশ্ন উঠছে — ভবিষ্যতে কি নিয়মিত পুলিশি নজরদারি, আইনগত কঠোরতা এবং জনগনের সচেতনতা ছাড়া এমন কাণ্ড থেকে বাঁচা সম্ভব?




