নিউইয়র্কের নতুন মেয়র নির্বাচিত Zohran Mamdani ঘোষণা দিয়েছেন — যদি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu কখনো নিউইয়র্কে প্রবেশ করেন, তবে তিনি তাকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ, পরর্বতীতে International Criminal Court (ICC) তার বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে, এবং Mamdani বললেন, নিউইয়র্ককে “আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা শহর” হিসেবে গড়তে হবে।
4 Dec 2025 | Pic: Collected
ম্যাডানির এই ঘোষণার পরও, Netanyahu স্পষ্ট জানিয়েছেন — তিনি গ্রেফতার হুমকি সত্ত্বেও নিউইয়র্ক আসার পরিকল্পনা রেখেছেন। ভার্চুয়াল এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “হ্যা, আমি নিউইয়র্ক আসছি”। তিনি কিন্তু মতো বলেছেন, যদি Mamdani প্রথমে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার করেন, তখনই আলোচনা হবে।
এই অবস্থায় রাজনৈতিক, আইনগত ও কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্ন জাগছে — কারণ যুক্তরাষ্ট্র এখনও ICC চুক্তির স্বাক্ষরকারী নয়, এবং আন্তর্জাতিক আদালতের পরোয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কার্যকর কিনা, সেটা আইনি জটিল। অনেক আইনজীবী বলছেন, স্থানীয় প্রশাসনও ফেডারেল সরকারের সাহায্য ছাড়া এমন গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে না।
নতুন মেয়র হিসেবে Mamdani–র এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, “আমরা নতুন আইন তৈরি করবো না; existing law অনুযায়ী পুরো চেষ্টা করবো।” অন্য দিকে, ইসরায়েল ও তার মিত্র দেশগুলো বলছে, এই রূপের পদক্ষেপ কূটনৈতিক বাধা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ ফল আনতে পারে।
নিউইয়র্ক, যেটি জাতিসংঘ সদরদফতর, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মিশন ও গ্লোবাল ব্যবসার কেন্দ্র — সেখানে এমন গ্রেফতারের চেষ্টায় বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ঝড় ওঠার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি বাস্তবে এমন কিছু হয়, তবে সেটা স্রেফ আইন প্রয়োগ নয়, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনৈতিক immunity, এবং বিশ্ব রাজনীতির মান-দণ্ড — সবকিছুই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
আরো সংকট হতে পারে: গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, ইসরায়েল–ইসলামিক দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া, শরণার্থী আইন, নিরাপত্তা এবং গ্লোবাল অর্থনীতি — সবকিছুর ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, Mamdani–র ঘোষণার পর নিউইয়র্ক, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব রাজনীতি — এক নতুন জটিল অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। আগামী দিনগুলোতে কী হবে — সেটা হয়তো সময় ও আইনই বলে দেবে।



