ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার মঈন আলি এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এ মাঠ মাতাতে যাচ্ছেন, কারণ সিলেট টাইটান্স তাকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে, মঈনকে স্থানীয়ভাবে ‘সিলেটের জামাই’ বলা হয় কারণ তাঁর স্ত্রী মূলত সিলেটের বাসিন্দা এবং তাই সিলেটবাসীর কাছে তিনি অতিরিক্ত জনপ্রিয়তার সঙ্গে সুপরিচিত।
13 Dec 2025 | Pic: Collected
মঈন আলির এই দলে নেওয়ার খবর সিলেট টাইটান্স তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করেছে এবং লেখেছে যে তিনি সিলেটে খেলতে পেরে আনন্দিত এবং আশাবাদী যে তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন; মঈন একজন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার—দুটি ফরম্যাটেই ব্যাট ও বল দু’টিতে দক্ষ—এবং তিনি আগেও বিপিএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন, তার মধ্যে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আছে যেখানে তিনি সর্বশেষ তিন আসরে খেলেছেন এবং দলের হয়ে দুইবার শিরোপাও জিতিয়েছেন।
এবারের বিপিএল-এ তিনি প্রথমবার সিলেট টাইটান্সের হয়ে অংশ নেবেন, যা দলের জন্য বড় শক্তি হিসেবে আশা করা হচ্ছে এবং বিপিএল মৌসুম ২৬ ডিসেম্বর সিলেট থেকে শুরু হবে, এরপর বিভিন্ন শহরে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ও ফাইনাল ২৩ জানুয়ারি ঢাকা মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। মঈন আলির যোগদানে সিলেট টাইটান্সের স্কোয়াড আরও শক্তিশালী হয়েছে, কারণ দলের আগের খেলোয়াড়রা যেমন মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ ছাড়াও ইথান ব্রুকস-এর মতো তরুণ প্রতিভা যুক্ত হয়েছে যা দলে ব্যালেন্স এনে দিয়েছে এবং মঈন আলির মত অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের সঙ্গে দলের প্রতিযোগিতামূলক শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে।
মঈন ১৯৮৭ সালের ১৮ জুন ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজ ক্রিকেটে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে, তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন এবং ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগে বিভিন্ন দলের হয়ে সফল পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তার দক্ষতা বিপিএল-এও দলের জন্য বড় অবদান রাখতে পারে। মঈন আলির বিপিএলে যোগদানের বিষয়টি শুধু ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই বড় খবর নয়, বরং সিলেট ও দেশের ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে উৎসাহের ঠিক কারণ, কারণ স্থানীয় হিসেবে ‘সিলেটের জামাই’ হিসেবে তাকে দেখে সিলেটের মানুষ আনন্দিত।
এবারের বিপিএল ১২তম আসরের সুযোগে মঈন আলির মতো তারকার উপস্থিতি টুর্নামেন্টকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে এবং দলে তাঁর অভিজ্ঞতা, ম্যাচের গতিপ্রকৃতি ও পরিণতি উভয় ক্ষেত্রেই বড় প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে তিনি ব্যাটিং ও অফ-স্পিন বোলিং—দুটি দিকেই দলের ভারসাম্য রাখতে পারেন এবং বিপিএলের মতো উচ্চস্তরের টুর্নামেন্টে তাঁর অভিজ্ঞতা দলের জন্য মূল্যবান প্রমাণিত হবে।



