আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী হেলমেটে বাংলাদেশী নেতা শরিফ ওসমান হাদির ছবি আঁকা অবস্থায় পতাকা হাতে জাম্প করে বিশ্ব রেকর্ড গড়বেন। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে একসাথে প্যারাস্যুটিং করবেন, যা স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ব দৃষ্টিকোণ থেকে এক অনন্য রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

14 Dec 2025 | Pic: Collected
বিজয়ের দিনে ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দরে সকাল ১১টা থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। এরপর বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ‘টিম বাংলাদেশ’ নামক দলের ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে একযোগে আকাশে জাম্প করবেন। আশিক চৌধুরীর অংশগ্রহণ বিশেষভাবে নজর কাড়বে কারণ তিনি হেলমেটে হাদির ছবি আঁকা অবস্থায় এই রেকর্ড গড়বেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই আয়োজনের মাধ্যমে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় ঐক্য উদযাপন করা হবে। বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে সকলকে প্রার্থনা ও শুভকামনা জানানোর জন্য যাতে হাদির দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত হয়। জাম্পের পাশাপাশি বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান চলবে ব্যান্ড-শো এবং আকাশে বিভিন্ন ধরনের প্রদর্শনীসহ। জনসাধারণের জন্য এই আয়োজন উন্মুক্ত থাকবে।
এছাড়া, হেলমেটে হাদির ছবি আঁকার মাধ্যমে একটি বিশেষ সামাজিক বার্তাও দেওয়া হবে, যা বিজয় দিবসের গুরুত্ব এবং জাতির ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই অনুষ্ঠানের প্রতীক্ষা করছে এবং এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষ রেকর্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।
আশিক চৌধুরী তার এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশপ্রেম এবং সমাজসেবার প্রতীক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। ৫৪ জন প্যারাট্রুপারের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক জাম্প শুধু রেকর্ড নয়, বরং নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে। এই আয়োজনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে উৎসাহের ঝড় বইছে এবং ফ্যানরা শুভকামনা জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই রেকর্ড গড়ার প্রচেষ্টা স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের সঙ্গে সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সমর্থন প্রদর্শনের একটি প্রতীকী উদ্যোগ। বাংলাদেশি প্যারাট্রুপারদের দক্ষতা, হেলমেট এবং পতাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে দুর্ঘটনা রোধ করা যায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও বিজয় দিবস উদযাপনের প্রতি নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং আন্তর্জাতিক রেকর্ডে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বলভাবে ছাপিয়ে যাবে।




