জেমস ক্যামেরনের পরিচালনায় তৈরি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ (Avatar: Fire and Ash) মুক্তির মাত্র সপ্তাহের শেষে ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী আয় করেছে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ডলার, যা এই বছরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বক্স অফিস মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিজনি ও ২০থ সেঞ্চুরি স্টুডিওতে প্রকাশিত এই চলচ্চিত্রটি ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে ক্রিসমাস সপ্তাহে দর্শকের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো এবং জায়গা করে নিয়েছে ২০২৫ সালের শীর্ষ আন্তর্জাতিক সিনেমা তালিকায়।

31 Dec 2025 | Pic: Collected
অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ — বিশ্বব্যাপী সফলতার গল্প
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমাটি ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মুক্তি পেয়ে মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ৭৬০.৪ মিলিয়ন ডলারের প্রায় আয় করেছে, যেখানে মার্কিন বাজারে আয় হয়েছে প্রায় ২১৭.৭ মিলিয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৫৪২.৭ মিলিয়ন ডলার।
এই আয় তাকে ২০২৫ সালের বিশ্বজুড়ে শীর্ষ চলচ্চিত্রগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং টপ-১০ সিনেমার মধ্যে দ্রুত প্রবেশ করিয়েছে।
এই ভলিউমের অর্থ হলো ছবিটি শুধু শুধু বক্স অফিসে ভালো করা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী দর্শক ও সমালোচকদের আকর্ষণও জুটিয়েছে — যদিও তা পুরোপুরি ক্লাসিক ‘অ্যাভাটার’ বা ‘দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর মতো অতিমাত্রায় বড় আয়ের পৌঁছায়নি।
পান্ডোরার নতুন অধ্যায় ও অ্যাকারিয়ার সফলতা
‘অ্যাভাটার’ সিরিজের প্রতিটি কিস্তি তার নিজস্ব দর্শক শ্রেণি তৈরি করেছে, এবং ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে এসেছে। এতে সুলি পরিবারকে নতুন আগ্নেয়-নাভি সম্প্রদায় ‘অ্যাশ পিপল’-এর সাথে মুখোমুখি হওয়া নিয়ে গল্প এগোয়, যা দর্শকদের কল্পবিজ্ঞান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও উন্নত ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের মাধ্যমে আবারো মুগ্ধ করেছে।
ছবিটি বিশেষত আন্তর্জাতিক বাজারে খুব শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে — বিভিন্ন দেশে যেখানে বিলবোর্ডে শীর্ষে আছে সেখানে অন্যান্য বড় ফিল্মকেও টপকে এগিয়েছে।
📊বক্স অফিসে ব্যালেন্স ও তুলনামূলক অবস্থান
- বিশ্বব্যাপী আয়: ~৭৬০.৪ মিলিয়ন ডলার
- মার্কিন আয়: ~২১৭.৭ মিলিয়ন ডলার
- আন্তর্জাতিক আয়: ~৫৪২.৭ মিলিয়ন ডলার
এই ধারা ধরে রিলিজের আরও সপ্তাহে সম্ভবত চূড়ান্ত এক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছনোর সম্ভাবনা জ্বলজ্বল করছে, যদিও তা নির্ভর করবে দর্শক আগ্রহ ও অন্যান্য নতুন রিলিজ-এর সাথে প্রতিযোগিতার উপর।
গত বছরের ’দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’ ছবিটি বড় আয়ের রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলো এবং বর্তমানে সেটি এখনও সিরিজের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ আয়ের ছবিগুলোর মধ্যে অবস্থান করে আছে।
অ্যাভাটার সিরিজের সামগ্রিক সাফল্য
যদিও ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ এককভাবে দুর্দান্ত আয় করেছে, সিরিজ হিসেবে ‘অ্যাভাটার’ *তিনটি ছবির সম্মিলিত আয় এখন গ্লোবাল বক্স অফিসে ৬ বিলিয়ন ডলারের উপরে পৌঁছে গেছে, যা একটি অনন্য মাইলফলক।
এটি হলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল ট্রিলজি হিসেবে স্থান করে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন কিস্তি প্রকাশ পালে তার সাফল্য আরও বড় রূপ নেবে বলে বিশ্লেষকরা দেখতে পাচ্ছেন।




