ভারতের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের ১০ জন পরিবারের সদস্য নিহত হয়েছেন। এই অভিযানে তার বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নে, ভাগ্নি এবং পাঁচজন শিশু প্রাণ হারিয়েছেন।

Source: NDTV | 7 May 2025 | Pic: Collected
আজহার এই ঘটনায় কোনো অনুশোচনা প্রকাশ না করে বলেন, “আমার পরিবারের ১০ জন সদস্য একসঙ্গে এই আনন্দ লাভ করেছেন… আমি তাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারলে খুশি হতাম।”
এই হামলা ছিল ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পাহেলগামে ২৬ জন পর্যটক হত্যার প্রতিশোধ। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযানে জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছিল। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তান প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে এবং দাবি করেছে, তারা পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
এই ঘটনার ফলে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়েছে এবং কাশ্মীর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংঘর্ষের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত উভয় পক্ষকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করা, যাতে আরও রক্তপাত এড়ানো যায়।




